ব্যাগের মধ্যে মিললো রিমোট কন্ট্রোল বোমা, নিষ্ক্রিয় করলো বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট

ফরিদপুর শহরের ব্যস্ততম এলাকায় পড়ে থাকা একটি ব্যাগ থেকে রিমোট নিয়ন্ত্রিত ডিভাইস দ্বারা পরিচালিত বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে এন্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সদস্যরা বোমাটি নিষ্ক্রিয় করেন।
এর আগে, শনিবার সকালে ফরিদপুরের আলীমুজ্জামান ব্রীজের দক্ষিণ অংশে একটি ব্যাগের ভেতর থেকে বোমাটি উদ্ধার করে যৌথবাহিনী। বোমাটি রিমোট নিয়ন্ত্রিত শক্তিশালী ইম্প্রোভাইস এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস ছিল বলে জানিয়েছেন এন্টি টেররিজম ইউনিটের সদস্য ও পুলিশ পরিদর্শক শংকর কুমার ঘোষ।
শনিবার সকালে বোমাটি উদ্ধার করেন যৌথবাহিনীর সদস্যরা
রোববার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে শহরের বিসর্জন ঘাট এলাকায় কুমার নদের পাড়ে বোমাটি নিষ্ক্রিয় করার উদ্যোগ নেয় ঢাকা থেকে আগত বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট। এ সময় বিসর্জন ঘাট সংলগ্ন আলীপুর সেতুর দু’পাশে এবং নদীর দুই পাড়ে সাধারণ মানুষের যাতায়াত বন্ধ করে দেয় সেনাবাহিনী ও জেলা পুলিশের সদস্যরা। বোমাটি নিষ্ক্রিয় করার সময় ব্যাপক শব্দে কেপে উঠে বিস্ফোরণ স্থলের আশেপাশের এলাকা। প্রায় ৪০ ফুট উচ্চতায় উঠে যায় বোমার স্প্লিন্টার।
উদ্ধারের পর বোমাটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে রাখা হয়
এর আগে, শনিবার সকালে আলীমুজ্জামান সেতুর পশ্চিমপাড়ের রেলিংয়ের সঙ্গে রাখা গাছের গুড়ির ওপর একটি ব্যাগে বোমা রয়েছে—এ সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্যরা সেখানে যায়। এলাকাটি জনবহুল ও শহরের দুইপাড়ের যোগাযোগের অন্যতম ব্যবস্থা হওয়ায় যৌথবাহিনীর সদস্যরা ব্যাগটি ঘিরে অবস্থান নেন।
বোমটি নিষ্ক্রিয় করেন বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা
এরপর ডিসপোজাল টিম প্রস্তুতি নিয়ে ব্যাগের ভেতরে রাখা তার দিয়ে প্যাঁচানো লাল রংয়ের বোমা সদৃশ একটি বস্তু বের করেন। পরে প্রায় ৩০০ মিটার দূরে ব্রিজের নিচে নিয়ে বালুর ভেতরে চাপা রাখেন।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম জানান, এ ঘটনার পর থেকে শহরে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কে বা কারা বোমাটি রেখেছিল সে বিষয়ে অনুসন্ধান চালাচ্ছে পুলিশ।



