ভেনেজুয়েলার তেল যুক্তরাষ্ট্রের দাবি করে ‘অধিকার’ ফিরে পেতে চান ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্র থেকে ‘তেল, জমি এবং অন্যান্য সম্পদ’ চুরি করেছে। এ কারণে তিনি ভেনেজুয়েলার তেলসম্পদকে নিজেদের দাবি করে এগুলো ‘ফেরত’ চেয়েছেন।
ভেনেজুয়েলায় প্রবেশকারী এবং দেশটি থেকে বের হওয়া সমস্ত তেল ট্যাঙ্কার ‘অবরোধ’ করার নির্দেশ দেওয়ার একদিন পর বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে ট্রাম্প সাংবাদিকদের কাছে এমন মন্তব্য করলেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোর সরকারের বিরুদ্ধে ‘নিরলস সামরিক প্রচারণা’ উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি করেছেন। তার প্রশাসন ইতোমধ্যে এই অঞ্চলে হাজার হাজার সেনা এবং প্রায় এক ডজন যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে – যার মধ্যে একটি বিমানবাহী রণতরীও রয়েছে।
ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার ‘জমি, তেলের অধিকার এবং যা কিছু আছে তা পাবে।’
তিনি কীভাবে এগুলো নিজেদের দাবি করছেন- সে বিষয়ে বিস্তারিত না জানিয়ে বলেন, ‘তারা (ভেনেজুয়েলা) আমাদের সমস্ত জ্বালানি অধিকার কেড়ে নিয়েছে। আমরা এটি ফেরত চাই, কিন্তু তারা এটি কেড়ে নিয়েছে। তারা অবৈধভাবে এটি কেড়ে নিয়েছে।’
দীর্ঘদিন ধরে ট্রাম্প প্রশাসন মাদুরো দরকারের বিরুদ্ধে মাদক চোরাচালান রোধে ‘যথেষ্ট পদক্ষেপ না নেওয়ার’ অভিযোগ করে আসছে।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, ট্রাম্প ইতোমধ্যে ভেনেজুয়েলায় সিআইএ গোপন অভিযানের অনুমোদন দিয়েছেন।
বিভিন্ন মার্কিন গণমাধ্যমের মতে, অদূর ভবিষ্যতে ওয়াশিংটন ভেনেজুয়েলায় ‘মাদক কার্টেলের ওপর’ হামলা শুরু করতে পারে।
গত আগস্ট মাসে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস রিপোর্ট করেছিল, ট্রাম্প লাতিন আমেরিকার মাদক চোরাচালানকারীদের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি প্রয়োগ শুরু করার জন্য একটি গোপন নির্দেশে স্বাক্ষর করেছেন। এরপর ক্যারিবিয়ান সাগর অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য অতিরিক্ত মার্কিন সামরিক ইউনিট মোতায়েন করা হয়। এরপর থেকে ওয়াশিংটন ক্যারিবিয়ান সাগর এবং পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে নৌকায় বিমান ও ড্রোন হামলা শুরু করে, দাবি করা হয়- এগুলো মাদক পরিবহন করছিল।



