মহাস্থান হাটে বিক্রি হচ্ছে হলুদ ফুলকপি

শীতকালীন সবজি হিসেবে পরিচিত ফুলকপি। সাধারণত ফুলকপি সাদা রঙের হলেও এখন বাজারে সাদার পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন রঙেন (হলুদ-বেগুনী-গোলাপি) ফুলকপি। প্রথম দেখাতে মনে হবে, কেউ সাদা ফুলকপির ওপর রঙ করেছে। বাংলাদেশে আগে এ ধরনের রঙিন ফুলকপির চাষ হতো না। কয়েক বছর ধরে শুরু হয়েছে এ ধরণের ফুলকপির চাষ।
এরমধ্যে হলুদ রঙের জাতটির নাম ক্যারোটিনা। হলুদ ফুলকপি ভিটামিন এ (বিটা-ক্যারোটিন) সমৃদ্ধ একটি পুষ্টিকর ও আকর্ষণীয় সবজি, যা সাধারণ সাদা ফুলকপির চেয়ে বেশি পুষ্টি গুণসম্পন্ন এবং ক্যারোটিনয়েড নামক উপাদানের কারণে হলুদ হয়। ক্যারোটিনয়েড ত্বকের স্বাস্থ্য, হাড় গঠন ও চোখের জন্য উপকারী। হলুদ ফুলকপি দেখতে সুন্দর এবং বাজারমূল্যও বেশি। এজন্য এটি চাষিদের কাছে বেশ লাভজনক। বাংলাদেশে রঙিন ফুলকপি চাষের সূচনা ২০২১ সালে হলেও প্রথমবারের মতো চাষ হচ্ছে বগুড়ায়।
নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার দুই কৃষি উদ্যোক্তা আবু হোসাইন ও ফিরোজ আহম্মেদ জানান, স্থানীয়ভাবে রঙিন ফুলকপির চাষ এখনো শুরু হয়নি। তাদের উৎপাদিত হলুদ ফুলকপি মহাস্থান হাটে বিক্রি করতে এনেছেন। ভালো দাম ও বাজারে চাহিদা থাকায় তারা এই নতুন জাতের ফুলকপি চাষে আগ্রহী। হাটে রঙ্গিলা জাতের হলুদ ফুলকপি প্রতি মণ ১২০০ থেকে ১৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সাধারণ সাদা ফুলকপির তুলনায় বেশি।
কৃষক আবু হোসাইন বলেন, ‘পরীক্ষামূলকভাবে এবার প্রথমবারের মতো রঙ্গিন ফুলকপি চাষ করেছি। এতে ভালো লাভের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। আমরা ৮ থেকে ১০ বিঘা জমিতে হলুদ ফুলকপির চাষ করেছি।’
ব্যবসায়ীরা জানান, সাদা ফুলকপির তুলনায় রঙ্গিলা জাতের ফুলকপির চাহিদা বেশি এবং দামও ভালো পাওয়া যাচ্ছে।



